মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সূত্র জানায়, বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গত বছরের ৪ মে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়ের অধীন ¯^vqZ¡ শাসিত প্রতিষ্ঠান মংলা ডক শ্রমিক পরিচালনা বোর্ড বিলুপ্ত করে এর সকল কর্মকর্তা কর্মচারীর চাকরি মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অধীন আত্মীকরণ করা হয়। এরপর অধ্যাদেশ অনুযায়ী গত ১ জুলাই থেকে ডক শ্রমিক পরিচালনা বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হলেও এ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় শতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীর চাকরি আজ পর্যন্ত আত্মীকরণ করা হয়নি। মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সূত্র আরো জানায়, অধ্যাদেশ জারীর সময় এর নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের কথা বলা হলেও বন্দরের এক শ্রেণীর শীর্ষ কর্মকর্তা রহস্যজনক কারণে তা বাস্তবায়িত হতে নানা প্রক্রিয়ায় কাল ক্ষেপন করছে। আত্মীকরণের জন্য সংস্থাপন মন্ত্রনালয় বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে বিভিন্ন তথ্য সরবরাহের জন্য বললেও দীর্ঘ দু’মাসের অধিক সময় পার হলেও কর্তৃপক্ষের প্রশাসন বিভাগ তা সরবরাহ না করে চুপচাপ রয়েছে। এ ছাড়া এসব কর্মকর্তা কর্মচারিকে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের শূণ্য পদে সংযুক্তির মাধ্যমে তাদের সার্ভিস গ্রহণের জন্য বন্দরের সদস্য (অর্থ)কে আহবায়ক করে ৫ সদস্য বিশিস্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। ১৫ দিনের মধ্যে এ কমিটির প্রতিবেদন দাখিল করার কথা থাকলেও নির্দিস্ট সময়ের আরো ১৫ দিন সময় বাড়িয়েও বর্ধিত সময়ের মধ্যে এ কমিটি তাদের প্রতিবেদন দাখিল করতে পারবে না বলে সংশ্লিস্ট সূত্র আশংকা করছে। এসব কারণে বিলুপ্ত মংলা ডক শ্রমিক পরিচালনা বোর্ডের শতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীর চাকরি সোয়া বছরেও আত্মীকরণ না হওয়ায় ভূক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এ নিয়ে চরম হতাশা আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন যাপন করছে।এ ব্যাপারে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর এম ফারুকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ভূক্তভোগীদের চাকরি আত্মীকৃত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ চেস্টা চালাচ্ছে কিন্তু মন্ত্রণালয়ের কারণে তা wejw¤^Z হচ্ছে।
১০ আগস্ট, ২০০৯
প্রায় সোয়া বছর অতিবাহিত, বিলুপ্ত মংলা ডক শ্রমিক পরিচালনা বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীর চাকরি এখনও আত্মীকরণ করা হয়নি
মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সূত্র জানায়, বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গত বছরের ৪ মে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়ের অধীন ¯^vqZ¡ শাসিত প্রতিষ্ঠান মংলা ডক শ্রমিক পরিচালনা বোর্ড বিলুপ্ত করে এর সকল কর্মকর্তা কর্মচারীর চাকরি মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অধীন আত্মীকরণ করা হয়। এরপর অধ্যাদেশ অনুযায়ী গত ১ জুলাই থেকে ডক শ্রমিক পরিচালনা বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হলেও এ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় শতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীর চাকরি আজ পর্যন্ত আত্মীকরণ করা হয়নি। মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সূত্র আরো জানায়, অধ্যাদেশ জারীর সময় এর নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের কথা বলা হলেও বন্দরের এক শ্রেণীর শীর্ষ কর্মকর্তা রহস্যজনক কারণে তা বাস্তবায়িত হতে নানা প্রক্রিয়ায় কাল ক্ষেপন করছে। আত্মীকরণের জন্য সংস্থাপন মন্ত্রনালয় বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে বিভিন্ন তথ্য সরবরাহের জন্য বললেও দীর্ঘ দু’মাসের অধিক সময় পার হলেও কর্তৃপক্ষের প্রশাসন বিভাগ তা সরবরাহ না করে চুপচাপ রয়েছে। এ ছাড়া এসব কর্মকর্তা কর্মচারিকে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের শূণ্য পদে সংযুক্তির মাধ্যমে তাদের সার্ভিস গ্রহণের জন্য বন্দরের সদস্য (অর্থ)কে আহবায়ক করে ৫ সদস্য বিশিস্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। ১৫ দিনের মধ্যে এ কমিটির প্রতিবেদন দাখিল করার কথা থাকলেও নির্দিস্ট সময়ের আরো ১৫ দিন সময় বাড়িয়েও বর্ধিত সময়ের মধ্যে এ কমিটি তাদের প্রতিবেদন দাখিল করতে পারবে না বলে সংশ্লিস্ট সূত্র আশংকা করছে। এসব কারণে বিলুপ্ত মংলা ডক শ্রমিক পরিচালনা বোর্ডের শতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীর চাকরি সোয়া বছরেও আত্মীকরণ না হওয়ায় ভূক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এ নিয়ে চরম হতাশা আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন যাপন করছে।এ ব্যাপারে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর এম ফারুকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ভূক্তভোগীদের চাকরি আত্মীকৃত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ চেস্টা চালাচ্ছে কিন্তু মন্ত্রণালয়ের কারণে তা wejw¤^Z হচ্ছে।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)

Hi, faruck tomar blog ta dekhlam.
উত্তরমুছুনHi Faruque tomar blog ta dekhlam.
উত্তরমুছুন